যুক্তরাষ্ট্রে লক ডাউন প্রত্যাহারে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া

105

প্রায় ২/৩ মাস নিজ নিজ গৃহে স্বেচ্ছায় অন্তরিণ থাকায় এবং পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সকল ধরনের দোকান-পাট- সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি তালাবদ্ধ থাকায় সকলেই কম-বেশি হাঁফিয়ে উঠেছেন। রুটি রোজগার বন্ধ থাকায় অনেকের সংসারে অভাব রাহু হানা দিয়েছে। ইতোমধ্যে ছোটখাট বহু ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান চিরতরে বন্ধ হয়ে গেছে। বিশ্ব অর্থনীতির চাকা বহুলাংশে অচল হয়ে পড়েছে। ফলে পরবর্তী পরিণতির কথা না ভেবে অনেকেই লক ডাউন প্রত্যাহারের সপক্ষে জোরালো দাবি তুলেছেন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ও চাপের মুখে অনেক সরকারও লক ডাউন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ওয়াশিংটনের গভর্নর জে ইনসলী ৩১ মে থেকে স্টে-অ্যাট-হোম আইনের সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন।
নিউ ইয়র্কের গভর্নর এন্ড্রু ক্যুমো ৮ জুন থেকে সীমিত পরিসরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাসে পুনরায় আবির্ভাবের আশঙ্কা ব্যক্ত করলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভিন্নমত পোষণ করেছেন। ট্রাম্প দাবি করেন যে সহসাই আমেরিকা থেকে করোনাভাইরাস পুরোপুরি বিদায় নিবে।
আবার কিছু চিত্রও ইতোমধ্যে পরিলক্ষিত হচ্ছে। ব্রাজিল, পেরু এবং রাশিয়ায় নতুন আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। মৃতের সংখ্যা এবং নতুন আক্রান্তের বিচারে ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে ব্রাজিলের পরের স্থান দখল করেছে পেরুতে। জানা যায় পেরুতে একদিনে নতুনভাবে ৬ হাজার ৫০০ লোক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং ১৩১ জন পটল তুলেছে। পেরুতে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা ১লাখ ৪৮ হাজার এবং মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২৩০।
আবার ৫ কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যা অধ্যুষিত দক্ষিণ কোরিয়া কয়েক দিন আগে লকডাউন প্রত্যাহার এবং রাজধানী সিউল এলাকার বিদ্যালয় ও পার্ক খুলে দিয়েছিল। কিন্ত ৪/৫ দিনে নতুন করে ৫ শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ৩০ মে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী ১৪ জুনের আগে বিদ্যালয়, পার্ক ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো পুনরায় খোলা হবেনা বলে জানা গেছে।