নিউইয়র্কে ফাহিম হত্যার প্রতিবাদে সোচ্চার বাংলাদেশি কমিউনিটি

89

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত টেক জায়েন্ট ফাহিম সালেহ হত্যায় শোকে বিহ্বল যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত বাংলাদেশি কমিউনিটি। তারা এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সন্দেহভাজন খুনি গ্রেপ্তার হলেও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে সমাবেশের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকেই। তারা বলছেন, ফাহিম হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে একজন তরুণের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। আমরা চাই, খুনির এমন শাস্তি হোক যাতে কেউ এ ধরনের হত্যাকাণ্ড ঘটানোর সাহস না করে।

স্থানীয় সময় রবিবার সন্ধ্যা ৬টায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। অন্যদিকে সোমবার বিকাল ৫টায় ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলেসের সোনার বাংলা চত্বরে অনুরূপ সমাবেশ ডেকেছে লিটল বাংলাদেশ প্রেসক্লাব।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাজী এনাম জানান, ফাহিম সালেহ বাংলাদেশের গর্ব। তিনি বাংলাদেশের জন্য বিশ্ব দরবারে সুনাম বয়ে এনেছিলেন। আমরা তার হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

এদিকে শোক ও ভালোবাসায় নিউইয়র্কের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ স্মরণ করছেন ফাহিম সালেহকে। ইস্ট লোয়ার ইস্ট ম্যানহাটনের ২৬৫ হাউস্টন স্ট্রিটের অ্যাপার্টমেন্টের সামনে ফুল দিয়ে ফাহিমকে স্মরণ করেছেন অনেকে। ফুলে ফুলে শোভা পাচ্ছে অ্যাপার্টমেন্টের প্রবেশদ্বার। গত বছর ২ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ডলার দিয়ে এই অ্যাপার্টমেন্টটি (কনডোমিনিয়াম) কেনেন ফাহিম সালেহ।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বিকালে নিউইয়র্ক সিটির লোয়ার ইস্ট ম্যানহাটনের বিলাসবহুল কনডোমিনিয়াম (অ্যাপার্টমেন্ট) থেকে ফাহিমের টুকরো করা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ফাহিম সালেহ ২০১৫ সালে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করেন রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ‘পাঠাও’। এই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় পরে নাইজেরিয়ায় চালু করেন রাইড শেয়ারিং অ্যাপ ‘গোকাডা’। সরকার সেটি বন্ধ করে দিলে চালু করেন পার্সেল সার্ভিস। সেটিও জনপ্রিয়তা পায় দেশটিতে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র ও কলম্বিয়ায় আরো একাধিক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত টেক জায়েন্ট ফাহিম সালেহ।