ভ্যাকসিন দৌড়ে বাংলাদেশ পেছনে

69

কে কার আগে করোনার প্রতিষেধক আনতে পারে তা নিয়ে বিশ্বব্যাপী তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে। আর এই দৌড়ে ব্রিটেন আমেরিকা ও রাশিয়া এগিয়ে রয়েছে। পেছনে আছে চীন।

অন্তত ২০ টি প্রতিষেধক পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে। অনেক দেশ প্রতিষেধক তৈরিতে দূরে থাকলেও ট্রায়ালে অংশ নিচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার দুটি দেশ ভারত ও পাকিস্তানে অক্সফোর্ডের তৈরি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল হচ্ছে। বাংলাদেশ এসবের বাইরে। গেল মাসের মাঝামাঝি সময়ে চীনের তৈরি ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের অনুমতি দিয়েছিল বাংলাদেশ ওষুধ প্রশাসন। কিন্তু এক অজ্ঞাত কারণে তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

আইসিডিডিআরবিকে ট্রায়ালের অনুমতি দেয়ার পর হঠাৎ করেই এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে বাংলাদেশ প্রতিষেধক থেকে অনেক দূরে রয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত প্রতিষেধক তৈরিকারী ব্রিটেন, আমেরিকা ও রাশিয়ার সঙ্গে কোন চুক্তি করেনি। জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির উপদেষ্টা প্রফেসর আবদুল্লাহ বলেছেন বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয়। কয়েকদিনের মধ্যে তা খোলাসা হবে। ঈদের দিনে নমুনা পরীক্ষা কম হওয়ায় তিন মাসের মধ্যে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় কমে এসেছে। স্বাস্থ্য দপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়, তিন হাজার ৩৮৪ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৮৮৬ জনের শরীরে। মারা গেছেন ২২ জন। এ নিয়ে মোট তিন হাজার ১৫৪ জন এই ভাইরাসে মৃত্যু বরণ করেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ০৫ শতাংশ।

ওদিকে বাংলাদেশ সহ সাতটি দেশের নাগরিকদের কুয়েতে প্রবেশ বন্ধ করার সিদ্ধান্তে চরম হতাশা তৈরি হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার লাখ বাংলাদেশি কুয়েতে অবস্থান করছেন। কুয়েতের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ইরান, নেপাল ও ফিলিপাইনের নাগরিকরা কুয়েতে যেতে আসতে পারবেন না। ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী