করোনা নিয়ে দুশ্চিন্তায় বাইডেন, জরুরী পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষণা

131

মরণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগীর পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। যুক্তরাষ্ট্রকে কঠিন এই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধারে বদ্ধ পরিকর নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আজ মঙ্গলবার একাধিক টুইটে করোনা নিয়ে সতর্কতামূলক বাণী ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন বাইডেন।

এক টুইটে তিনি বলেন, ২০ জানুয়ারির আগে আমি প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে স্থলাভিষিক্ত হতে পারছি না। তাই আপনাদের উদ্দেশ্যে আমার এখন একটিই বার্তা, তা হচ্ছে আপনারা সবাই মাস্ক পড়ুন।

আরো এক টুইটে বাইডেন বলেন, করোনা ভাইরাসের এই মহামারি মোকাবেলায় আমি কোনোরকম ছাড় দেবো না। এ বিষয়ে আমি দৃঢ় প্রতীজ্ঞ।

অন্য এক টুইটে মহামারী মোকাবেলা করতে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন বাইডেন। এ বিষয়ে টুইটে তিনি বলেন, করোনা মহামারী মোকাবেলার জন্য আমি একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই পরিষদের কাজ হবে বৈজ্ঞানিক উপায়ে যুক্তরাষ্ট্রে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব কমিয়ে আনা। প্রতিটি মার্কিন নাগরিকদের যন্ত নেয়া হবে।

গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। করোনা মহামারির কারণে এবার রেকর্ড ১০ কোটির বেশি আগাম ভোট পড়েছে। যার বেশিরভাগই ডাকযোগের ভোট। বিভিন্ন রাজ্যে ভোটগ্রহণ ও গণনার সময় ভিন্ন হওয়ার কারণে ২০০০ সালের পর ভোট গণনায় এবারই সবচেয়ে বেশি বিলম্ব হয়েছে। কে হচ্ছেন পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেটা জানার জন্য চার দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে মার্কিনি ও বিশ্ববাসীর।

বাংলাদেশ সময় শনিবার রাতে পেনসিলভেনিয়া রাজ্যে জো বাইডেনের জয় নিশ্চিত হয়। এর মাধ্যমে তিনি ২৭০টি ইলেকটোরাল ভোট নিশ্চিত করেন। এই নির্বাচনে যে পরিমাণ মানুষ ভোট দিয়েছেন ১৯০০ সালের পর কোনো নির্বাচনে এতো মানুষ ভোট দেননি। এবারের নির্বাচনে জো বাইডেন রেকর্ডসংখ্যক পপুলার ভোট বা সাধারণ মানুষের ভোট পেয়েছেন। রবিবার পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময়) ভোট গণনায় তিনি ৭ কোটি ৪৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩১ ভোট পেয়েছেন। যা মোট ভোটের ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়েছেন ৭ কোটি ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৫৭৩ ভোট (৪৭ দশমিক ৭)। ট্রাম্পের চেয়ে বাইডেন প্রায় ৪১ লাখ ভোট বেশি পেয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট হয়েছেন তিনি।