চীনের আক্রমণ ঠেকাতে সাবমেরিন বানাচ্ছে তাইওয়ান

155

চীনের আক্রমণ থেকে নিজেদের উপকূল রক্ষা করতে প্রথমবারের মতো ঘরোয়া সাবমেরিন তৈরি করছে তাইওয়ান। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে এর কাজ শুরু করা হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, তাইওয়ানের কাছে বর্তমানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার দুইটি জাহাজ ও ১৯৮০ এর দশকে নেদারল্যান্ডস-এর তৈরি দুইটি সাবমেরিন রয়েছে।

তাইওয়ানের নতুন এ কর্মসূচির আওতায় আটটি নতুন ডিজেল চালিত অ্যাটাক সাবমেরিন তৈরি করা হবে। ২০২৪ সাল নাগাদ প্রথম সাবমেরিন তৈরির কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তাইওয়ান জানিয়েছে, চীনকে রুখতে সমুদ্রে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরালো করছে তারা। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন বলেন, ‘সাবমেরিন তৈরি করে আমরা স্পষ্ট বার্তা দিতে চাই যে সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনও আপোস করবে না তাইওয়ান।’

চীনের মূল ভূখন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন তাইওয়ান মূলত দক্ষিণ চীন সমূদ্রের একটি দ্বীপ। এক সময় ওলন্দাজ কলোনি ছিল। তবে ১৬৮৩ থেকে ১৮৯৫ সাল পর্যন্ত চীনের রাজারাই শাসন করেছে তাইওয়ান। এরপর জাপানিরা দখল করেছে এই দ্বীপ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তাইওয়ানের নিয়ন্ত্রণ তুলে দেয়া হয় চিয়াং কাইশেকের নেতৃত্বাধীন চীনা সরকারের হাতে।

কিন্তু চীনে মাও জেদংয়ের নেতৃত্বে কমিউনিষ্ট বাহিনির সঙ্গে যুদ্ধে হারতে থাকে চিয়াং কাইশেকের সরকার। চীনের বেশিরভাগ অংশের নিয়ন্ত্রণ হারায় তারা। এরপর চিয়াং কাইশেক আর তার কুওমিনটাং সরকারের লোকজন তখন পালিয়ে যায় তাইওয়ানে। সেখানে তারা ‘রিপাবলিক অব চায়না’ নামে এক সরকার গঠন করে। নিজেদেরকে সমগ্র চীনের প্রতিনিধিত্বশীল সরকার বলেও দাবি করে তারা।