মানব বিপর্যয় থামাতে এখনি বৃটেনজুড়ে টিয়ার ৪ লকডাউন চান বিশেষজ্ঞরা

142

বৃটেন নিজের অজান্তেই বড় ধরণের মানব বিপর্যয়ের দিকে ছুটে যাচ্ছে বলে মনে করছেন দেশটির বিশেষজ্ঞরা। তারা অবিলম্বে পুরো বৃটেনজুড়ে টিয়ার ৪ লকডাউন জারির পরামর্শ দিয়েছেন। প্রফেসর রবার্ট ওয়েস্ট সাবধান করে বলেন, করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেইন ছড়িয়ে পড়ায় বড়দিন পরবর্তী সময়ে বৃটেনের মানুষ বিপর্যয়ের হুমকিতে রয়েছে। এ খবর দিয়েছে বৃটিশ গণমাধ্যম মিরর।

বৃটেনের প্রধান বিজ্ঞান বিষয়ক উপদেষ্টা স্যার প্যাট্রিক ভ্যাল্যান্সও হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, বৃটেনের সর্বত্রই নতুন এই স্ট্রেইন ছড়িয়ে পড়েছে। প্রফেসর ওয়েস্টও এখন তার সঙ্গে সুর মিলিয়ে অতুন এই স্ট্রেইন থামাতে কঠিন লকডাউনের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, যদি সরকার পূর্ব এশিয়ার মতো কন্টাক্ট ট্রাকিং সিস্টেম চালু করতে না পারে তাহলে বৃটেনকে অর্থনীতি এবং সামাজিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হবে। গার্ডিয়ানকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, আমাদের উচিত আমাদের কৌশল পুনরায় নির্ধারণ করা এবং নতুন স্ট্রেইনের সংক্রমণ শূন্যে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা। একে হয়ত অনেক ব্যায়বহুল লাগছে তবে অন্য কোনো বিকল্পের ওপর আর ভরসা করা যায়না।

আরেক বিশেষজ্ঞ প্রফেসর অ্যান্ড্রু হায়ওয়ার্ডও দেশজুড়ে লকডাউন দেয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। তিনি বলেন, যদিও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন স্ট্রেইনের সংক্রমণের মাত্রা ভিন্ন তারপরেও তারা আসলে সব জায়গাতেই রয়েছে। প্রফেসর জন এডমান্ডস বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্যি যে সমগ্র বৃটেনজুড়েই করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেইন ছড়িয়ে পড়েছে এবং আমি মনে করি, আমাদের এখন কঠিন লকডাউন আরোপ করা জরুরি।

এদিকে, ভ্যাকসিন তৈরি কোম্পানি বায়োএনটেকের প্রধান উগুর সাহিন জানিয়েছেন, এখনো তারা নিশ্চিত নন যে তাদের ভ্যাকসিন নতুন স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে কার্যকরি হবে কিনা। তবে যেহেতু উভয় ধরণের প্রোটিনের মধ্যে ৯৯ শতাংশ মিল রয়েছে। তাই তারা ভ্যাকসিন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। এখন পর্যন্ত বৃটেনের ৫ লাখ মানুষ বায়োএনটেকের ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন।