ট্রাম্প কভিড ১৯ সহায়তা প্রস্তাবে স্বাক্ষর করবেন না বলে হুমকি দিয়েছেন

162

সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিওতে ট্রাম্প বিভিন্ন কর্মসূচীতে, তাঁর কথায় অপব্যয় বলে অভিহিত করেন যেমন মিশরকে সামরিক সাহায্য প্রদান , জাদুঘরের জন্য অর্থায়ন এবং কৃষিক্ষেত্রে ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণ প্রচেষ্টায় অর্থায়ন। তিনি সুনির্দিষ্ট ভাবে আপত্তি জানিয়েছেন করোনাভাইরাস ত্রাণ কার্যক্রমের অর্থায়ন সম্পর্কে যেখানে তিনি বলছেন যে ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতে অপর্যাপ্ত অর্থ দেয়ার কথা বলা হয়েছে অথচ তারা এই মহামারির সময়ে দূর্ভোগের শিকার হয়েছে ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প গতকাল হুমকি দিয়েছেন যে তিনি কংগ্রেস অনুমোদিত বর্ষ শেষের বিশাল অর্থ প্রস্তাবে সই করবেন না যার মধ্যে রয়েছে করোনাভাইরাসের সাহায্য বাবদ নব্বই হাজার কোটি ডলার এবং ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি খরচ বাবদ চৌদ্দ লক্ষ কোটি ডলার। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিওতে ট্রাম্প বিভিন্ন কর্মসূচীতে, তাঁর কথায় অপব্যয় বলে অভিহিত করেন যেমন মিশরকে সামরিক সাহায্য প্রদান , জাদুঘরের জন্য অর্থায়ন এবং কৃষিক্ষেত্রে ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণ প্রচেষ্টায় অর্থায়ন। তিনি সুনির্দিষ্ট ভাবে আপত্তি জানিয়েছেন করোনাভাইরাস ত্রাণ কার্যক্রমের অর্থায়ন সম্পর্কে যেখানে তিনি বলছেন যে ক্ষুদ্র ব্যবসা খাতে অপর্যাপ্ত অর্থ দেয়ার কথা বলা হয়েছে অথচ তারা এই মহামারির সময়ে দূর্ভোগের শিকার হয়েছে ।

তা ছাড়া ব্যক্তিদের সরাসরি দেয় অর্থের পরিমাণও পর্যাপ্ত নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। যে প্রস্তাব কংগ্রেসে বিপুল ভোটে পাশ করা হয় তাতে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মাথা পিছু ছয় শ ‘ ডলার করে দেয়া হবে যা মার্চ মাসে দেয়া ত্রাণ প্যাকেজের অর্ধেক। ট্রাম্প বলছেন এই অর্থ এই বার মাথাপিছু দু হাজার ডলার হওয়া উচিত। ট্রাম্প আরও বলেন, “ আমি কংগ্রেসকে বলছি এই আইনে ব্যক্ত অপ্রয়োজনীয় অপব্যয় বাদ দিয়ে আমাকে যথার্থ প্রস্তাব পাঠাতে , নইলে আগামি প্রশাসনকে কভিড ১৯ প্যাকেজ প্রদান করতে হবে”।

ডেমক্র্যাটরা করোনাভাইরাস ত্রাণ প্যাকেজে আরও অর্থ প্রদান করার পক্ষে ছিলেন কিন্তু রিপাবলিকানরা তা মানতে চাননি। ট্রাম্পের ভিডিও বার্তার জবাবে প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যানসি পেলসি আরও অর্থ প্রদানের বিষয়ের উপর ভোট গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন রিপাবলিকানরা সরাসরি চেকে এই বর্ধিত অর্থ প্রদানের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে এসেছেন তবে অবশেষে প্রেসিডেন্ট যখন মাথাপিছু দু হাজার ডলার করে দিতে রাজি হয়েছেন , ডেমক্র্যাটরা সর্ব সম্মতিক্রমের বিষয়টিকে এ সপ্তায় কংগ্রেসে উত্থাপনের জন্য প্রস্তুত আছেন।