এক ম্যাচ বাকি রেখেই সিরিজ জয় বাংলাদেশের

250

দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সাত উইকেট হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ। এটি ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে টানা তৃতীয় সিরিজ জয় তামিম-সাকিবদের।

মিরপুরে এদিন সিরিজ জিততে প্রয়োজন ছিল ১৪৯ রান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেওয়া সেই লক্ষ্যে হাফ সেঞ্চুরি করে জয়ের ভীত গড়েদেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তামিম ৫০ করে ফিরলেও ৪৩ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন সাকিব। বাংলাদেশ ম্যাচ জিতে ১৬ ওভার চার বল হাতে রেখে।

এর আগে আক্রমণাত্মক মেজাজে শুরু করেছিলেন লিটন। বিপরীতে দেখেশুনে খেলছিলেন তামিম।
তাই তাদের উদ্বোধনী জুটি থেকে আসা ৩০ রানের ২২-ই এসেছে লিটনের ব্যাট থেকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে ব্যাট করা লিটন অবশ্য বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। আকিল হোসেনের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফিরেছেন এই ওপেনার। যাওয়ার আগে ২৪ বলে ৪ বাউন্ডারিতে করেন ২২ রান।

তার বিদায়ের পর ওয়ান ডাউনে নামা শান্তর শুরুটাও ভালো ছিল। প্রথম ম্যাচে ব্যর্থ হওয়া এই ব্যাটসম্যান দারুণ কিছু শট খেলে দলের রান বাড়িয়ে নিয়েছেন। যদিও উইকেটে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। জেসন মোহাম্মদের শিকার হওয়ার হওয়ার আগে ২৬ বলে ২ বাউন্ডারিতে খেলে যান ১৭ রানের ইনিংস। এরপরই তামিমের সঙ্গে জ্বলে উঠেছে সাকিবের ব্যাট। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান দলকে নিয়ে যাচ্ছিলেন জয়ের দিকে। জয় থেকে মাত্র ৪০ রান দুরে আউট হন তামিম। আউট হওয়ার আগে তুলেনেন ক্যারিয়ারের ২৮তম হাফ সেঞ্চুরি। তামিমের আউটের পর মুশফিকুর রহীমকে সঙ্গে জুটি গড়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন সাকিব। সাকিব অপরাজিত থাকেন ৪৩রানে। মুশফিক করেন অপরাজিত ৯ রান।

এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অল্প রানে আটকে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন দুই স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজ ও সাকিব আল হাসান। ৯.৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল মিরাজ। আর সাকিব ১০ ওভারে ৩০ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। তাদের সঙ্গে মোস্তাফিজুর রহমানের (২/১৫) চমৎকার বোলিংয়ে ক্যারিবিয়ানরা ৪৩.৪ ওভারে অলআউট হয় ১৪৮ রানে।