করোনার ৪ হাজার রূপ, উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের

122

জার রূপ রয়েছে যেগুলো কোভিড-১৯ সংক্রমণের জন্য দায়ী। অতিসংক্রামক এইসব ধরন নিয়ে উদ্বেগের মুখে টিকা উন্নয়নে উদ্যোগী হয়েছেন গবেষকরা। তাই ফাইজার ও আস্ট্রাজেনেকাসহ টিকা উৎপাদনকারীরা তাদের টিকা উন্নয়নের চেষ্টা করছে।
বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ টিকা সরবরাহ বিষয়ক মন্ত্রী নাধিম জাহাওই স্কাই নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন।

রূপান্তরের কারণে ইতিমধ্যে এই ভাইরাসের কয়েক হাজার রূপের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে অতিসংক্রামক ব্রিটিশ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিলের রূপগুলোও রয়েছে।

নাধিম জাহাওই বলেছেন, ‘এটা একেবারেই অসম্ভব যে, বর্তমান টিকাগুলো কেন্ট বা অন্যান্য রূপগুলোর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে গুরুতর অসুস্থতা ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের বেলায় কাজ করবে না। যে রূপের ক্ষেত্রেই কার্যকর নিশ্চিতে ফাইজার-বায়োএনটেক, মর্ডানা, অক্সফোর্ড-আস্ট্রাজেনেকাসহ সব উৎপাদনকারীই তাদের টিকা উন্নয়নে কাজ করছে। বর্তমানে বিশ্বে প্রায় চার হাজার রূপ রয়েছে।’

গত বছরের শেষ দিকে টিকা যখন মহামারি মুক্তির আশা জাগাতে শুরু করেছিল ঠিক, তখনই যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসের একটি পরিবর্তিত ধরন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার খবর নতুন উদ্বেগ নিয়ে আসে বিশ্বে।

এরপর কিছুদিনের মধ্যেই আরও বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের নানা ধরন শনাক্ত হতে হতে এখন বিশ্বব্যাপী এই সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে প্রায় চার হাজারে।