ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধ: ইলহান ওমরের মন্তব্যে তোলপাড়

97

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে (আইসিসি) আফগানিস্তানে যুদ্ধাপরাধ এবং ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতার কারণ জানতে চেয়ে করা কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমরের প্রশ্নে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রশ্নের কারণে নিজ দলেও প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে এই মুসলিম নারী আইনপ্রণেতাকে। খবর আলজাজিরার। প্রতিনিধি পরিষদে তিন মুসলিম সদস্যের একজন ইলহান ওমর। ৭ জুন এক শুনানিতে তিনি বলেন, ইসরাইল ও হামাস দ্বারা সংগঠিত যুদ্ধাপরাধের ভুক্তভোগী যারা যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা সত্ত্বেও তাদের অবশ্যই আইসিসিতে বিচার চাওয়া উচিত।

জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আদালত এ ধরনের দাবিগুলোর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিচারিক সহায়তা দিতে যথেষ্ট। কিন্তু বিষয়টি সেখানেই শেষ হয়ে যায়নি। ইলহানের এ মন্তব্য নিয়ে তার দলের নেতারা তীব্র সমালোচনা করছেন। একই সঙ্গে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।

ইলহান ওমরের করা প্রশ্নের দুদিন পর ডেমোক্র্যাট পার্টির ১১ ইহুদি সদস্য এক বিবৃতিতে বলেন, হামাস ও তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের তুলনা করা আপত্তিজনক। মুসলিম আইনপ্রণেতা ইলহান ওমর এ বিবৃতিকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন।

এদিকে ইলহানের এ প্রশ্নে— যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মতো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সঙ্গে হামাস এবং তালেবানের মতো সন্ত্রাসী সংগঠনকে সমান চোখে দেখা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে বিষয়টি এমন নয় জানিয়ে ইলহান এক বিবৃতিতে বলেন, আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই— কথোপকথনটি আইসিসির সেই মামলাগুলোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ঘটনার জবাবদিহিতা সম্পর্কে ছিল। এটি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল এবং হামাস বা তালেবানের মধ্যে নৈতিক তুলনার নয়। আমি কোনোভাবেই সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলোকে সুপ্রতিষ্ঠিত বিচারব্যবস্থাসহ গণতান্ত্রিক দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করিনি।