রাজধানীর মতিঝিল ও পল্টন এলাকায় চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য, প্রশাসন নীরব

123

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর মতিঝিল ও পল্টন এলাকায় শাহীন উদ্দিন নামে এক চাাঁদাবাজের দৌরাত্ম্যে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তার ও তার সহযোগীদের অত্যাচারে স্থানীয় ব্যাবসায়ী ও বাড়ির মালিকরা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে জীবন যাপন করছেন। প্রতিদিন এই দুই থানা এলাকা থেকে শাহীন উদ্দিন কয়েক লক্ষাধিক চাঁদা উঠায় তার সহযোগীরা। এই বাহিনীর কবল থেকে ফুটপাতের ক্ষুদ্র ব্যাবসাায়িরাও রক্ষা পাচ্ছেন না। প্রতিদিন তাদের কাছে থেকেও বিপুল অঙ্কেও টাকা উঠাচ্ছেন শাহীন উদ্দিন ও তার দোসররা। বিষয়টি থানা পুলিশ জানলেও কোন প্রতিকার হচ্ছে না। সম্প্রতি শাহীন উদ্দিনের সেকেন্ড ইন কমান্ড আকবর হোসেন রনি No description available.ফকিরাপুলের একটি হোটেলে চাঁদার দাবিেেত হামলা চালায়। হোটেল কর্তৃপক্ষ চাঁদা দিতে অস্বিকার করায় তারা হোটেলের ম্যানেজারকে হেনস্থা করে। যা সিসি টিভিতে ধরা পড়ে। এই সংঘবদ্ধ দলটি মানুষকে নানা ভাবে হয়রানির করার অভিযোগও রয়েছে ব্যাপক। এই সংগবদ্ধ দলটি মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত। তারা ফকিরাপুলে একটি আবাসিক হোটেলে বসে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার নীল নকসা করে। আর এখান থেকে সারাদেশের মাদক ব্যবসা তারা নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়া প্রতিদিন হোটেলে মাদকের আসর বসে। দুরদুরান্ত থেকে মাদকসেবীরা হোটেলে আসে মাদক সেবন করতে। শাহীন উদ্দিন নোয়াখালীতেও চাঁদাবাজি করে এমন অভিযোগ করেছেন অনেক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে নোয়াখালীতে একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানা যায়। এসব কারণে তার স্ত্রী সম্প্রতি তাকে তালাকও দিয়েছে। তার স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, শাহীন ও রনি বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তার সাথে ছবি তুলে ব্যবসায়ীদের বø্যাকমেইলিং করার অভিযোগও রয়েছে ব্যপক। এ ব্যপারে প্রশাসানিক ব্যবস্থা না গ্রহণ করা না হলে পরিস্থিতি জাটিল আকার ধারণ করবে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।