জননেত্রী শেখ হাসিনার আগমনে উৎসাহ উদ্দীপনা ভাবনা

150

বাংলাদেশের চার বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের মানসকন্যা বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত, দেশের অপ্রতিরোধ্য উন্নয়নের জাদুকর, মাদার অব হিউম্যানিটি, দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দিতে ১৯শে সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের জে এফ কে বিমান বন্দরে ৪ নম্বর টার্মিনালে আসছেন বিকাল ৬টায়। দেশের প্রধানমন্ত্রী ও উপমহাদেশের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্মানিত সফল সভাপতির যুক্তরাষ্ট্রে আগমন উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো ব্যাপক কর্মসূচী নিয়েছে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও। জেএফকে বিমানবন্দরের ৪ নম্বর টার্মিনালে আঠারো কোটি মানুষের শেষ ঠিকানা, শেষ আস্থাস্থল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাবে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। সেইসাথে বিএনপি ও বিভিন্ন নামের আড়ালে জামাতে ইসলামীর অপতৎপরতা বা বিশৃ্খংলা সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখে দিতে প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবে দলটির নেতাকর্মীরা।
অধিক ঘণবসতি পূর্ণ বাংলাদেশে হাজার হাজার প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রায় ১৪ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সম্মানজনকভাবে পূণর্বাসনের সহায়তার বিষয়টি তিনি জাতিসংঘের এই অধিবেশনে জোরালোভাবে তুলে ধরবেন।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মানবতার নেত্রী, মাদার অব হিউম্যানিটি হিসেবে সারাবিশ্বে খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি এবার রোহিঙ্গাদের স্থায়ী পূণর্বাসনের উপরে অধিক গুরুত্ব দিবেন এই বিশ্বসভায়। বার্মার মুসলিম নিধন হত্যাযগ্ন্য একটি মানবতাবিরোধী অপরাধ। তাই আন্তর্জাতিক ভাবে এর চিরস্থায়ী সমাধান চাইবেন বিশ্বসভায় এই বিশ্বমানবতার নেত্রী।

এছাড়াও বিশেষভাবে বাংলাদেশ সহ এশিয়ার দেশগুলোতে কোভিট-১৯ ভ্যাক্সিন উৎপাদন ও সরবরাহ সহায়তা পেতে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে সহায়তা চাইবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এটি হবে সারাবিশ্বের চাহিদা অনুযায়ী ভ্যাকসিন উৎপাদনে একটি যুগান্তকারী মানবসম্পদ রক্ষাকবচ। এছাড়াও বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ সুবিধার কথা জানাবেন বিশ্বসভায় উন্নয়নের রোল মডেল নামে খ্যাত এই সফলনেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

প্রবাসীবান্ধব প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রবাসীদের জন্য জাতীয় সংসদে ২৫টি সংরক্ষিত আসনের জোরালো দাবী জানাবেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সম্মানিত সভাপতি ড: সিদ্দিকুর রহমান। প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রাণের দাবি বাংলাদেশ বিমান নিউইয়র্কে আগমনকে সহজতর করার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ বিমানের স্পেশাল ফ্লাইটে অবতরণ করবেন।

২৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় জাতিসংঘে বিশ্ব সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলায় ভাষণ দিবেন। এই বাংলা ভাষণেররীতি সর্ব প্রথম চালু করেছিলেন সর্ব যুগের সর্ব শ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে ১৭ই সেপ্টেম্বর।

২৪শে সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় কুইন্সের লাগোর্ডিয়া ম্যারিয়ট হোটেলে বলরুমে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগআয়োজিত সংবধনা ও মতনিমিয় সভায় ভার্চুয়ালী যোগদান করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাংবাদিকদের সাথেও ভার্চুয়ালী মতবিমিনয় করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৫ সেপ্টেম্বর তিনি ওয়াশিংট্ন ডিসিতে যাবেন।

প্রতিবারের মতো এবারো নিউইয়র্কে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় উজ্জীবিত। নিউইয়র্ক শহরের বাঙালি-অধ্যুষিত এলাকা ব্যানার, পোস্টার এবং বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের মানুষের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। প্রতি বছর নগরীর হোটেলগুলোতে রুম সংকট দেখা দেয়। তবে এবারের চিত্র সম্পুর্ন ভিন্ন। স্বল্প সংখ্যক মুষ্টিমেয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নিয়ে অধিবেশনে যোগদান করতে পথিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, সারা বছর আমরা বিভিন্ন দিবস পালনের মাধ্যমে নানাভাবে সক্রিয় থাকি। প্রতি সেপ্টেম্বর মাসে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার আগমনে আমাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও গতিশীলতা তৈরি করে। তিনি বলেন, প্রতিবারের মতো এবারো ব্যাপক আয়োজনে জননেত্রীকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়ার পরিকল্পনা ছিল। এবার জননেত্রীর আগমন আমাদের জন্য ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিব শতবর্ষ।

যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক মোঃ সোলায়মান আলী বলেন, সারা বছর আমরা নেত্রীর হাতে গড়া সংগঠন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিটি কর্মকাণ্ড নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করি। সেপ্টেম্বর এলে অপেক্ষা করে থাকি প্রিয় নেত্রীকে একনজর দেখার। করোনার কারণে আমরা সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত। তবে আমার নেত্রী বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছেন। তাই দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্য, আমরা সবাই ধন্য। শেখ হাসিনার সরকার, বারবার দরকার। আমরা সবাই মুজিব সেনা, নেত্রী মোদের শেখ হাসিনা। জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু, জয় দেশরত্ন শেখ হাসিনা। ধন্যবাদ।

মোঃ সোলায়মান আলী, প্রবাসী কল্যাণ সম্পাদক- যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ।